
রেজাউল করিম নিজস্ব প্রতিনিধি :
গত ২৮ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা বেলকুচি উপজেলা শেরনগর ও কামারপাড়া মাঝামাঝি রাস্তায় মসজিদ সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় রাস্তার উপর ভিকটিম শ্রী অমৃত কুমার (২৮), পিতা-শ্রী সাধন চন্দ্র কুমার, মাতা-মিনতি রানী সরকার, সাং-শোলাকুড়া দক্ষিণপাড়া, ডাকঘর- গাবেরপাড়া, থানা-বেলকুচি, জেলা-সিরাজগঞ্জ কে অজ্ঞাতনামা একজন ব্যক্তি কাটার জাতীয় চাকু দিয়ে বাম কানের উপর মাথায় ও পিঠের উপরের অংশ আঘাত করে গুরুতর জখম প্রাপ্ত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
অমৃত কুমার ডাক চিৎকার দিয়ে সামনে কিছু দূরবর্তী জায়গা এগিয়ে এসে ভাঙ্গারির দোকানে তার ব্যবহৃত বাই সাইকেল রেখে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ভ্যানে করে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেন। ভিকটিম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় ৩০৮ নম্বর রুম, ০৭ নং বেড চিকিৎসারত আছে।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে, ভিকটিম বিগত ৭/৮ মাস যাবত ঢাকা গুলশান নতুন বাজার এলাকা গ্রুপ-৪ কোম্পানির অধীনে সিকিউরিটি গার্ডে চাকুরি করতেন। চলতি মাসের ১০ তারিখে ঢাকা হতে একেবারে গ্রামে চলে আসেন। গ্রামে এসে তিনি হাফ বিল্ডিং ঘর করার জন্য ঘরের টিনের চালের স্ক্রু, নাট, বল্টু অন্যান্য সরঞ্জামাদি মুকুন্দগতি বাজার হতে ক্রয় করে বাড়ি ফেরার পথে বেলকুচি উপজেলার শেরনগর ও কামারপাড়া মাঝামাঝি রাস্তায় মসজিদ সংলগ্ন ফাঁকা জায়গা রাস্তার উপর ঘটনাটি ঘটে বলে জানা যায়।

উক্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন।
এই সংক্রান্তে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক একটি গুজব ছড়ানো হয়েছে যা ঘটনার সাথে অসত্য তথ্য বলে প্রমাণিত হয়।
স্থানীয় লোকজনে সহায়তায় থানা পুলিশ মো:এমদাদুল (৩৬), পিতা-মৃত শওকত আলী, সাং-শেরনগর পূর্বপাড়া, থানা বেলকুচি, জেলা-সিরাজগঞ্জ কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন।
উক্ত ব্যক্তি ৫/৬ মাস পূর্বে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্থানীয় ভাবে জানা যায় ।