রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেতিল মহাশ্মশানে নবনির্মিত চুল্লি ও শেডের ফলক উন্মোচন করলেন রনজিৎ ঘোষ এনায়েতপুরে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চৌহালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সদিয়া ইউনিয়নের বেতিল ওয়ার্ডে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু সিরাজগঞ্জে হুরাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মন্ত্রী টুকু, পুরোনো বেইলি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ, নতুন সেতু নির্মাণে স্বস্তি দুই উপজেলার মানুষের বেলকুচিতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা বেলকুচিতে কিশোরদের উদ্যোগে নাইট সুপার সর্ট পিচ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

হাটহাজারীতে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটির এশায়াত মাহফিলে মাননীয় মোর্শেদে আজম :

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫৪ বার পঠিত

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

রুহানিয়াত বিকাশে কালশ্রেষ্ঠ কিংবদন্তি হলেন খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (রা.)

মহান আল্লাহ অসীম অনুগ্রহ করে প্রিয় রাসুুল (দ.) কে ধরার বুকে প্রেরিত করেন। যাঁর আগমনের সুসংবাদ নিয়ে এসেছেন পূর্ববর্তী নবীগণ। প্রিয় নবীজি ধরার বুকে আসেন রহমত হিসেবে। যিনি সমগ্র মানবজাতিকে অন্ধকার থেকে হেদায়াতের আলোয় উদ্ভাসিত করেন। প্রিয় রাসুল (দ.) এর পর আর কোন নবী রাসূল দুনিয়াতে আসবেন না। মানুষকে হেদায়াতের জন্য প্রিয় রাসূল (দ.) এর ওয়ারিছ হিসেবে আউলিয়ায়ে কেরামগণ ধরার বুকে আগমন করবেন। বর্তমানে মানুষ দুনিয়ার মোহে পড়ে দ্বীন-ইসলাম থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছে। আল্লাহর ভয় ও নবীজির সুন্নাত থেকে দূরে সরে যাওয়া পথহারা মানুষকে হেদায়াতের জন্য খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু প্রতিষ্ঠা করেছেন যুগান্তকারী এক তরিক্বত। যে তরিক্বতের মূল ভিত্তি হলো এখলাস ও নবীপ্রেম। এ তরিক্বতে নেই শরিয়তের বিন্দুমাত্র লঙ্ঘন, নেই কোন শিরক বিদ’আতের ছোঁয়া। খলিফায়ে রাসূল (দ.) এর তরিক্বতে রয়েছে দৈনিক ১১১১ বার দরূদ শরীফ আদায়, সুন্নাতে মোস্তফা ও মোরাকাবার অনুশীলন, ফয়েজে কুরআনের মাধ্যমে নূরে কুরআন লাভের সুযোগ। হযরত গাউছুল আজম (রা.) নবীজির বাতেনী নূর প্রদানের মাধ্যমে মানুষের ক্বলবের আঁধার দূর করে আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। নফসের কুপ্রবৃত্তি দমন করে আখলাকে হাসানার বিকাশ করেছেন। যুবসমাজের মাঝে নবীপ্রেমের বিস্তার করেছেন যা মানবজাতির কল্যাণে স্মরণ কালের ঐতিহাসিক ও অনস্বীকার্য অবদান।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদে জুমা হতে উত্তর মাদার্শা উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ৫ নং উত্তর মাদার্শা শাখার ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এশায়াত মাহফিলে উপস্থিত হাজারো মুসলমানের উদ্দেশ্যে প্রধান মেহমানের বক্তব্যে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সংগঠনের মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এশায়াত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সবুর, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ সায়েম ও মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ফয়সাল।

মিলাদ-কিয়াম শেষে মাননীয় প্রধান মেহমান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আমার দিনকাল
Customized By BlogTheme