
রেজাউল করিম নিজস্ব প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং মুকন্দগাঁতী বাজারের তীব্র যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান।
এসময় আলোচনা সভায় বেলকুচি উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ইশরাত জাহান, বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদাত হোসেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ গোলাম আজম, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল মান্নান সরকার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার মোঃ নাজমুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম গোলাম রেজা, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার বিপ্লব কুমার, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার জহুরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ ঈমান আলী, বেলকুচি রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার হাসনাত জাহান, বড়ধুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছির উদ্দিন মোল্লা, রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বেলকুচিকে একটি শান্ত ও নিরাপদ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বাঁচাতে নিয়মিত পুলিশি অভিযান ও জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাল্যবিয়ে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় ইভটিজিং বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বেলকুচির প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র মুকন্দগাঁতী বাজারের যানজট পরিস্থিতি। বক্তারা উল্লেখ করেন, ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকানপাট বসানো এবং যত্রতত্র অটোরিকশা ও সিএনজি পার্কিংয়ের কারণে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়েন পথচারী ও ক্রেতারা। যানজট নিরসনে দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ, নির্দিষ্ট পার্কিং জোন নির্ধারণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়। অপরাধমুক্ত ও সুশৃঙ্খল বেলকুচি গড়তে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।