
মোঃ শুভ ইসলাম গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের কাউন্সিল বাজারের কাপড়ের ব্যবসায়ী মো. এরশাদ মিয়ার দোকানে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মো. ইখলাছুর রহমান পুটুর ওপর কতিপয় দুর্বৃত্তের এলোপাতাড়ি ও ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে পুরো গিদারী ইউনিয়ন জুড়ে এক বিশাল ও অভূতপূর্ব মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিজের ওপর ঘটে যাওয়া পরিকল্পিত হামলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী মো. ইখলাছুর রহমান পুটু উপস্থিত জনতা ও সাংবাদিকদের সামনে বলেন,
বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুরের যে অবাস্তব, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ওপর চাপানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্তের অংশ। আমি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করে বলছি—যদি কেউ এ ঘটনার সপক্ষে বিন্দুমাত্র কোনো প্রমাণ বা ভিডিও-ডকুমেন্ট দেখাতে পারে, তবে আমি যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব।
তিনি আরও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরে বলেন,
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব—এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী চক্রান্তকারী মহল দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং সামাজিকভাবে মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে নানামুখী নোংরা চক্রান্তে মেতে উঠেছে। মূল অপরাধ ঢেকে রেখে আমার নির্বাচনী অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করতেই এই মিথ্যা অপবাদ রটানো হচ্ছে।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে অংশ নেওয়া গিদারী ইউনিয়নের হাজারো ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, কোনো ধরণের জঘন্য অপরাধ করে মিথ্যা অপবাদ ও রাজনৈতিক চক্রান্তের আড়ালে পার পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। গিদারী ইউনিয়নবাসীর একটাই দাবি—আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল দোষীদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে এবং দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।